খবর ২৪ ঘন্টা , ডেস্ক
নেত্রকোনার বারহাট্টায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী মন্টু দাসের বাড়ি পরিদর্শন করেছেন নেত্রকোনা-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. আনোয়ারুল হক। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার সদর ইউনিয়নের বৃ-কালিকা গ্রামে গিয়ে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
গত ১৪ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে মন্টু দাসের বসতবাড়িতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়লে বসতঘর, আসবাবপত্রসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পুড়ে যায়। এ সময় আগুনে দগ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন মন্টু দাসের স্ত্রী শিউলি রাণী বিশ্বাস (৪০)।
প্রথমে তাকে বারহাট্টা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৫ সেপ্টেম্বর বিকেল ৪টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
মন্টু দাস বলেন, “ঘটনার সময় আমি দোকানে ছিলাম। হঠাৎ খবর পাই আমার বাড়িতে আগুন লেগেছে। দ্রুত বাড়িতে এসে দেখি ঘরে আগুন জ্বলছে। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আমার স্ত্রীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। ঢাকার বার্ন ইউনিটে নেওয়া হলেও তাকে বাঁচাতে পারিনি। এখন বাড়িঘর ও স্ত্রীকে হারিয়ে আমি অসহায় হয়ে পড়েছি।”
বারহাট্টা ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা বিপুল কুমার ঘোষ বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার আগেই ওই পরিবারের ঘরবাড়ি ও আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র পুড়ে যায়।
এমপি অধ্যাপক ডা. আনোয়ারুল হক ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িটি পরিদর্শনকালে মন্টু দাসের সঙ্গে কথা বলেন এবং পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
এ সময় বারহাট্টা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোস্তাক আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আশিক আহমেদ কমল, সিনিয়র সহসভাপতি আক্কাস আলী, বারহাট্টা প্রেসক্লাবের সভাপতি শামস উদ্দিন আহমেদ বাবুল, সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক ফারুকসহ উপজেলা ও জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে ১৭ সেপ্টেম্বর বিকেল ৪টার দিকে একই গ্রামের অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে ঘর নির্মাণের জন্য ঢেউটিন ও নগদ অর্থ তুলে দেন বারহাট্টা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সেলিনা আক্তার।
মন্তব্য করুন