খবর ২৪ ঘন্টা , ডেস্ক
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সুহারা শামপুড় গ্রামের আব্দুল তালেবের মেয়ে তাসলিমা খাতুনের (৩০) সঙ্গে একই উপজেলার গুড়মা গ্রামের বাবলুর ছেলে নাহিদের (১৭) প্রায় এক বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। এ সময় তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয় এবং বিয়ের আশ্বাস দিয়ে নাহিদ তার কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে প্রায় ৫০ হাজার টাকা নিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন ওই নারী।
ভুক্তভোগী তাসলিমা খাতুন জানান, দীর্ঘদিন ধরে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তার সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন নাহিদ। সম্প্রতি তিনি বিয়ের জন্য চাপ দিলে নাহিদ নানা অজুহাতে বিষয়টি এড়িয়ে যেতে থাকেন। একপর্যায়ে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান এবং তাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দিতে শুরু করেন।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে তাসলিমা বলেন, “আমি তাকে বিশ্বাস করে সম্পর্ক করেছি। সে বিয়ের কথা বলে আমার কাছ থেকে টাকা নিয়েছে। এখন বিয়ে করতে চাইছে না। আমার সম্মান নষ্ট হয়েছে। তাই বাধ্য হয়ে তার বাড়িতে এসে অনশন শুরু করেছি। আমাকে বিয়ে না করলে আমার আর বেঁচে থাকার কোনো ইচ্ছা নেই।”
এদিকে ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। শুক্রবার দিনভর উৎসুক জনতা ঘটনাস্থলে ভিড় জমায়। তবে ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত নাহিদ ও তার পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে না থাকায় তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা চলছে। তারা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন, যাতে ঘটনার সুষ্ঠু সমাধান হয় এবং কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তাসলিমা খাতুন প্রেমিকের বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন এবং অনশন অব্যাহত রেখেছেন। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মন্তব্য করুন