খবর ২৪ ঘন্টা , ডেস্ক
শনিবার (২০ জুন) দিবাগত রাতে বাহেরচর মধ্যপাড়া গ্রামের জাকির মিয়ার বাড়ি থেকে ওয়ালিদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত ওয়ালিদ ওই গ্রামের মৃত আব্দুল হাইয়ের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জাকির মিয়ার মেয়ে প্রাণা আক্তারের (১৭) সঙ্গে ওয়ালিদের দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত তিনদিন ধরে নিখোঁজ ছিল ওয়ালিদ। শনিবার রাতে জাকির মিয়ার বাড়ির ভেতরে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে মরদেহ কাপড়ে মুড়িয়ে গুম করার চেষ্টা করা হচ্ছিল বলে স্থানীয়রা সন্দেহ করেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, বিষয়টি টের পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে তিন নারীকে আটক করেন এবং পরে পুলিশে সোপর্দ করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
প্রাথমিক সুরতহালে নিহতের গলায় কালো দাগের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, গলায় বৈদ্যুতিক তার পেঁচিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় জাকির মিয়া, তার স্ত্রী ফরিদা আক্তার এবং দুই মেয়ে মিন্নি ও প্রাণার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর থেকেই জাকির মিয়া পলাতক রয়েছেন।
হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার সন্দেহে এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য প্রেমিকা প্রাণা আক্তার (১৭), তার মা ফরিদা আক্তার (৪০)সহ চারজনকে আটক করেছে পুলিশ।
রায়পুরা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নাজমুল হাসান বলেন, “ঘটনার খবর পেয়ে থানার ওসি ও পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন করা হবে।”
পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
মন্তব্য করুন