খবর ২৪ ঘন্টা , ডেস্ক
ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, উপজেলার ছয়টি দাখিল মাদ্রাসা ও দুটি ভোকেশনাল প্রতিষ্ঠানের শতভাগ পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে।
শতভাগ অকৃতকার্য হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—কুটারগাঁতী দাখিল মাদ্রাসা (ভোকেশনাল), আইআর টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউট (ভোকেশনাল), বাসুদেবকোল শ্রীরামের পাড়া দাখিল মাদ্রাসা, মিরের দেউলমোড়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসা, বিএম ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা, কয়ড়া দাখিল মাদ্রাসা, হাসিল দাখিল মাদ্রাসা ও ফরিদপুর ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা।
এর মধ্যে কুটারগাঁতী দাখিল মাদ্রাসা (ভোকেশনাল) থেকে ৭ জন, আইআর টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউট (ভোকেশনাল) থেকে ১৬ জন, বাসুদেবকোল শ্রীরামের পাড়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ২৭ জন, মিরের দেউলমোড়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১৮ জন, বিএম ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১৮ জন, কয়ড়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ২২ জন, হাসিল দাখিল মাদ্রাসা থেকে ২০ জন এবং ফরিদপুর ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এসব প্রতিষ্ঠানের মোট ১৪১ জন পরীক্ষার্থীর একজনও উত্তীর্ণ হতে পারেনি।
এ ঘটনায় স্থানীয় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আলোচনা ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীদের এমন ফলাফলের কারণ খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মুহা. নূরন্নবী মিয়া বলেন, “আমি এখন বাইরে আছি। কালকে অফিসে আসেন, সামনাসামনি কথা হবে।”
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) আব্দুর রাজ্জাক মন্ডল বলেন, “শতভাগ অকৃতকার্য হওয়া আটটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে দুটি এমপিওভুক্ত এবং বাকিগুলো নন-এমপিও। প্রতিষ্ঠানগুলোতে কেন এমন ফলাফল হলো, বিষয়টি তদারকি করা হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে অবশ্যই সরকারি বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
শিক্ষাবিদ ও অভিভাবকদের মতে, কোনো প্রতিষ্ঠানে ধারাবাহিকভাবে শতভাগ শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হলে সেখানে পাঠদানের মান, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি, শিক্ষকদের কার্যক্রম ও একাডেমিক ব্যবস্থাপনা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পিছিয়ে পড়ার কারণ চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।#
মন্তব্য করুন