খবর ২৪ ঘন্টা , ডেস্ক
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক বরাবর দেওয়া অভিযোগপত্রে ইউপি সদস্যরা দাবি করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর স্থানীয় নেতাদের ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা দিয়ে নওশের আলী অবৈধভাবে প্যানেল চেয়ারম্যান পদে আসীন হয়েছেন। এরপর থেকে ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে ৩০ শতাংশ হারে অর্থ আদায় করেন তিনি। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে পরবর্তীতে প্রকল্প না দেওয়াসহ বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়ন তহবিলের ১ শতাংশ অর্থের কোনো হিসাব না দিয়ে আত্মসাৎ করা হয়েছে। নিয়মিত সভা না করে বিভিন্ন ভুয়া খরচ দেখিয়ে অর্থ লোপাট, গর্ভবতী ভাতার কার্ড করে দেওয়ার নামে ৫ থেকে ৮ হাজার টাকা করে ঘুষ গ্রহণ, গ্রাম আদালতে বিচার করার নামে অর্থ বাণিজ্য এবং ওয়ারিশান সনদ দেওয়ার ক্ষেত্রেও অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নেও অনিয়মের অভিযোগ করেছেন ইউপি সদস্যরা।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্যানেল চেয়ারম্যান নওশের আলী। তিনি বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। সকল কাজে ইউপি সদস্যদের কেন ডাকতে হবে, এমন কোনো নিয়ম নেই।’
এ বিষয়ে রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল খালেক পাটোয়ারী বলেন, ‘অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
মন্তব্য করুন