খবর ২৪ ঘন্টা , ডেস্ক
কর্মসূচির অংশ হিসেবে সলঙ্গার বিভিন্ন মাদ্রাসা প্রাঙ্গণ ও সড়কের পাশে প্রায় দেড় শতাধিক ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়। রোববার আয়োজিত এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন আলহাজ্ব মো. আব্দুল বারিক মিয়া।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ‘প্রিয় সলঙ্গার গল্প’র সভাপতি কে.এম. আমিনুল ইসলাম হেলাল, উপদেষ্টা সহকারী অধ্যাপক আব্দুল মান্নান ও আব্দুস সালাম মাস্টার, এডমিন হারুনর রশিদ হারুন ও শাহিদুল ইসলাম, মডারেটর তুষার তালুকদার ও নাজমুল হুদা এবং স্বেচ্ছাসেবক সাইদুল ইসলাম।
পুরো কর্মসূচির সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন সংগঠনটির চিফ এডমিন শাহ আলম মাস্টার।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে নিম, সজনে, আমলকি, কৃষ্ণচূড়া, বেল, জাম, খেজুর, তাল, ডুমুর, মেহগনি ও শিমুলসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হয়।
আয়োজকরা জানান, একটি গাছ শুধু একটি চারা নয়; এটি মানুষের জন্য ছায়া, পাখির আশ্রয়, পরিবেশের ভারসাম্য এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ পৃথিবীর প্রতিশ্রুতি। তাই বৃক্ষরোপণকে একদিনের কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধ না রেখে দীর্ঘমেয়াদি পরিবেশ সুরক্ষার অংশ হিসেবে দেখছে ‘প্রিয় সলঙ্গার গল্প’।
এ উদ্যোগে স্থানীয় মানুষের মধ্যেও ইতিবাচক সাড়া সৃষ্টি হয়েছে বলে জানান আয়োজকরা। তাদের প্রত্যাশা, রোপণ করা চারাগুলো পরিচর্যার মাধ্যমে একদিন বড় গাছে পরিণত হবে এবং সলঙ্গার পরিবেশকে আরও সবুজ ও সুন্দর করে তুলবে।
কর্মসূচি সফল করতে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করেছেন। আয়োজকদের পক্ষ থেকে তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলা হয়, প্রচারের আড়ালে থেকে জনকল্যাণমূলক একটি উদ্যোগের পাশে দাঁড়ানোর এই সহযোগিতা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। নামের চেয়ে ভালো কাজই মানুষের পরিচয় হয়ে থাকুক—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তারা।
আয়োজকদের ভাষায়, আজকের রোপণ করা চারাগাছগুলোই হয়তো আগামী দিনে পথিককে ছায়া দেবে, শিশুকে ফল দেবে, পাখিকে আশ্রয় দেবে এবং নীরবে জানান দেবে—একদিন কিছু মানুষ একটি সুন্দর, সবুজ সলঙ্গার স্বপ্ন দেখেছিল।
মন্তব্য করুন