খবর ২৪ ঘন্টা , ডেস্ক
জানা যায়, উপজেলার ঘুড়কা ইউনিয়নের শ্যামনাই গ্রামের মৃত ইজ্জত হাজীর পুত্র সিরাজুল ইসলাম ৮৭ শতক আয়তনের একটি পুকুর ০১/০৮/২০২৫ তারিখে পাঁচ বছরের জন্য পাশ্ববর্তী ইচলা গ্রামের বেলাল হোসেনের নিকট লিজ প্রদান করেন। চুক্তি অনুযায়ী বেলাল হোসেন এক বছরের জন্য ৯০ হাজার টাকা পরিশোধ করে পুকুরে মাছ চাষ শুরু করেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত ০৪/০৫/২০২৬ তারিখে শ্যামনাই গ্রামের নওয়াজ আলী পুকুর থেকে মাছ ধরতে শুরু করেন। এসময় বাধা দিলে তিনি ৩ লাখ টাকা দাবি করেন এবং বিভিন্ন ধরনের হুমকি-ধমকি দেন বলে অভিযোগ করেন লিজগ্রহীতা বেলাল হোসেন।
পরবর্তীতে ১৩/০৬/২০২৬ তারিখে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নওয়াজ আলী পুনরায় পুকুর থেকে মাছ ধরছেন বলে স্থানীয়রা জানান। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পায়।
ভুক্তভোগী বেলাল হোসেন অভিযোগ করে বলেন, পাঁচ বছরের লিজকৃত পুকুরে প্রায় ৫০ লাখ টাকার মাছের রেণু-পোনা মজুদ করা হয়েছিল। কিন্তু নওয়াজ আলী একাধিকবার পুকুর থেকে মাছ ধরে বিক্রি করেছেন, এতে তার ব্যাপক আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।
অন্যদিকে পুকুর মালিক সিরাজুল ইসলামের প্রতিনিধি জানান, বেলাল হোসেন পুকুর লিজ নেওয়ার পর মালিকের কাছ থেকে টাকা ধার নিয়েছিলেন। সেই টাকা পরিশোধ না করায় মাছ বিক্রি করে টাকা আদায় করা হচ্ছে বলে দাবি করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা এরশাদ আলী, জাকারিয়া ও জয়নাল আবেদিন মিলু ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
এ বিষয়ে সলঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আসলাম আলী জানান, অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। উভয় পক্ষই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে।#
মন্তব্য করুন