খবর ২৪ ঘন্টা , ডেস্ক
মেয়েটির বাড়ি শেরপুরে। গৃহকর্মীর কাজ করত গোপালগঞ্জে এক চিকিৎসক দম্পতির বাসায়। সেখান থেকে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে নুরুল ইসলাম নামে অজ্ঞাত পরিচয়ের এক যুবকের সঙ্গে। ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার স্থায়ী বাসিন্দা ঐ ডাক্তার দম্পতির অনুপস্থিতিতে প্রেমিকের হাত ধরে গা ঢাকা দেয় তরুনীটি। এরপর তার আর খোঁজ মেলেনি। এ ঘটনায় চরম বিপাকে পড়েন ডাক্তার দম্পতি। পরিস্থিতির চাপ সামলানোর পাশাপাশি অনুসন্ধান অব্যাহত রাখেন তারা। প্রায় ৪ মাস পর মেয়েটির পরিবার জানতে পারেন,তাদের নিখোঁজ সন্তানটি প্রতারণার ফাঁদে পড়ে বর্তমানে রাজবাড়ির দৌলতদিয়ার পতিতা পল্লীতে অবরুদ্ধ অবস্থায় মানবেতর জীবন যাপন করছে। তীব্র শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে তাকে অনাকাঙ্ক্ষিত যৌনাচারে বাধ্য করা হচ্ছে। মুক্তির অপেক্ষায় প্রহর গুনছে সে। অভাবী,অসহায় বাবা রাজ্জাক শেখ যোগাযোগ করেন ডাক্তার দম্পতির সঙ্গে। তারা তাৎক্ষণিক সারা দিয়ে এ বিষয়ে বোয়ালমারীর কতিপয় গণমাধ্যম কর্মীর সহযোগীতা কামনা করেন। এরপর ঐ সাংবাদিকদের অনুরোধে রাজবাড়ী জেলা ও গোয়ালন্দ থানা পুলিশ ১৬ জুন যৌন পল্লীতে অভিযান চালিয়ে মেয়েটিকে উদ্ধার করে তার বাবার হাতে তুলে দেন। এ কাজে রাজবাড়ীর কয়েকজন গণমাধ্যম কর্মীও গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেন। উদ্ধারের পর মেয়েটি অতীতের বিষাক্ত স্মৃতি চারণ ও মুক্তির আনন্দে আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন,নুরইসলামের সঙ্গে তার অল্প দিনের পরিচয়। তার ঘর-বাড়ীর ঠিকানা জানা নেই। ভালো চাকরি দেওয়ার কথা বলে সে ডাক্তার দম্পতির বাসা থেকে তাকে নিয়ে আসে এবং যৌন পল্লীতে রেখে চলে যায়।
মন্তব্য করুন