খবর ২৪ ঘন্টা , ডেস্ক
জানা গেছে, নিমগাছি শাখা গ্রামীণ ব্যাংকে অডিট কার্যক্রম চলছিল। এ সময় অডিট কর্মকর্তাদের অতিরিক্ত মানসিক চাপের কারণে আব্দুস সালাম মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন বলে তাঁর সহকর্মীদের একটি সূত্র দাবি করেছে। একপর্যায়ে তিনি গ্যাসের ট্যাবলেট সেবন করেন বলে জানা যায়।
পরে আনুমানিক সন্ধ্যার দিকে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। এ সময় সহকর্মীদের উদ্দেশে আব্দুস সালাম বলেন, “আমি হয়তো আর বাঁচবো না। আমি ভুল করে থাকলে তোমরা আমাকে ক্ষমা করে দিও।” তাঁর এমন কথায় সহকর্মীরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন।
পরে দ্রুত তাঁকে চিকিৎসার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
আব্দুস সালামের মৃত্যুর ঘটনায় গ্রামীণ ব্যাংকের সহকর্মী ও স্থানীয়দের মধ্যে শোকের পাশাপাশি নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। অডিট চলাকালে কথিত মানসিক চাপ, গ্যাসের ট্যাবলেট সেবন এবং পরবর্তী সময়ে তাঁর মৃত্যুর মধ্যে কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা নিয়েও আলোচনা চলছে।
তবে অডিট কর্মকর্তাদের চাপের কারণেই তিনি গ্যাসের ট্যাবলেট সেবন করেছিলেন কি না কিংবা তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ কী—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে পরিষ্কার হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
এদিকে আব্দুস সালামের মৃত্যুতে গ্রামীণ ব্যাংকের সহকর্মী ও স্থানীয়দের মধ্যে গভীর শোকের সৃষ্টি হয়েছে। তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে যথাযথ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
মন্তব্য করুন