খবর ২৪ ঘন্টা , ডেস্ক
অফিস সূত্রে জানা গেছে, অনুমোদিত ছয়টি পদের বিপরীতে বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন মাত্র তিনজন কর্মকর্তা-কর্মচারী। সাব-রেজিস্ট্রার, অফিস সহকারী ও মোহরারসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। এছাড়া অফিস সহায়কের পদেও কোনো স্থায়ী কর্মী নেই। ফলে দৈনিক মজুরিভিত্তিক কর্মচারীদের দিয়ে অফিসের কার্যক্রম চালাতে হচ্ছে।
জানা যায়, ২০১৩ সালে রায়গঞ্জ উপজেলা সদরে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের কার্যক্রম শুরু হয়। বর্তমানে উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়ন ও পৌর এলাকার জমি নিবন্ধনের কাজ এ অফিসের মাধ্যমে সম্পন্ন হচ্ছে। প্রতি বছর গড়ে প্রায় ৩ হাজার ৪০০টি দলিল নিবন্ধন করা হয়।
অন্যদিকে নিজস্ব ভবন না থাকায় পুরোনো কোর্ট ভবনের ছোট পাঁচটি কক্ষে সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে অফিসের কার্যক্রম। এতে দলিল নিবন্ধনসহ বিভিন্ন সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। স্থান সংকুলানের অভাবে ভোগান্তিও বাড়ছে প্রতিদিন।
রায়গঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রার এবাদত হোসেন বলেন, “রায়গঞ্জের পাশাপাশি অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে কাজীপুর ও গান্ধাইল সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দায়িত্বও পালন করতে হচ্ছে। এ কারণে সপ্তাহে মাত্র দুই দিন রায়গঞ্জ অফিসে দলিল দাখিল গ্রহণ করা সম্ভব হয়।”
তিনি আরও বলেন, প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ ও আধুনিক ভবন নির্মাণ করা হলে সেবার গতি বাড়বে। একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ দলিলপত্র সংরক্ষণও আরও নিরাপদ ও সহজ হবে।
এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ জেলা রেজিস্ট্রার শরীফ তোরাফ হোসেন বলেন, জনবল সংকট নিরসন ও আধুনিক ভবন নির্মাণের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন