মো. লুৎফর রহমান , হিলি স্থল বন্দর প্রতিনিধি, দিনাজপুর।
অভিযোগটি সামনে আসে হিলিতে কর্মরত ৭১ টেলিভিশনের প্রতিনিধি ছামিউল ইসলাম আরিফের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার একটি রেকর্ডকৃত কথোপকথনের সূত্র ধরে।
অভিযোগ অনুযায়ী, সংবাদ সংগ্রহের বিষয়ে আলাপচারিতার সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ডা. মুহাম্মদ তানভীর হাসনাত রবিন সাংবাদিককে দাপ্তরিক শিষ্টাচার বা ‘অফিস ডেকোরাম’-এর কথা উল্লেখ করে বলেন, সাক্ষাৎকার বা তথ্য নিতে এলে তাকে ‘মহোদয়’ বা ‘স্যার’ বলে সম্বোধন করতে হবে।
রেকর্ডকৃত কথোপকথনে তিনি আরও বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং তিনি একই গ্রেডের কর্মকর্তা। ইউএনওদের যেহেতু ‘স্যার’ বলে সম্বোধন করা হয়, তাই পেশাগত সৌজন্যের অংশ হিসেবে তাকেও একইভাবে সম্বোধন করা উচিত।
এ বিষয়ে সাংবাদিক ছামিউল ইসলাম আরিফ জানান, মফস্বলে কর্মরত সাংবাদিকরা সাধারণত পারস্পরিক সৌজন্য ও আন্তরিকতার ভিত্তিতে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এর আগে ওই দপ্তরে দায়িত্ব পালনকারী একাধিক কর্মকর্তার কাছ থেকে নিয়মিত তথ্য ও সাক্ষাৎকার নেওয়া হলেও কাউকে ‘স্যার’ বা ‘মহোদয়’ বলে সম্বোধন করাকে কখনো বাধ্যতামূলক হিসেবে জানানো হয়নি।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে ডা. মুহাম্মদ তানভীর হাসনাত রবিনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে এ বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মন্তব্য করুন