খবর ২৪ ঘন্টা , ডেস্ক
১৯৫১ সালে প্রতিষ্ঠিত ধানগড়া উচ্চ বিদ্যালয় দীর্ঘদিন ধরে এ অঞ্চলের শিক্ষার বাতিঘর হিসেবে কাজ করে আসছে। প্রতিষ্ঠানটি থেকে প্রতি বছর শত শত শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জন করছে। শুধু শিক্ষাক্ষেত্রেই নয়, ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডেও বিদ্যালয়টির রয়েছে বিশেষ অবদান।
স্থানীয়দের মতে, বিদ্যালয়টি সরকারীকরণ হলে শিক্ষার গুণগত মান আরও বৃদ্ধি পাবে এবং সাধারণ ও নিম্ন আয়ের পরিবারের সন্তানরা উন্নত ও মানসম্মত শিক্ষা গ্রহণের আরও বেশি সুযোগ পাবে। একই সঙ্গে সরকারি বেতন কাঠামো ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত হলে দক্ষ ও অভিজ্ঞ শিক্ষকদের দীর্ঘমেয়াদে ধরে রাখা সহজ হবে।
এলাকাবাসী জানান, সরকারীকরণের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, আধুনিক বিজ্ঞানাগার স্থাপন, তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষা সম্প্রসারণ এবং ডিজিটাল ক্লাসরুম বাস্তবায়নের পথ সুগম হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা আধুনিক ও যুগোপযোগী শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পাবে।
স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন নাগরিকদের ভাষ্য, “ধানগড়া উচ্চ বিদ্যালয় আমাদের অঞ্চলের শিক্ষা বিস্তারের অন্যতম প্রধান ভিত্তি। ৭৫ বছরের পথচলায় প্রতিষ্ঠানটি অসংখ্য গুণী মানুষ তৈরি করেছে। তাই এর ঐতিহ্য ও অবদানের যথাযথ মূল্যায়ন করে দ্রুত সরকারীকরণের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।”
প্রাক্তন শিক্ষার্থীরাও মনে করেন, বিদ্যালয়টি কেবল একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়; এটি এ অঞ্চলের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিকাশেরও কেন্দ্রবিন্দু। সরকারি স্বীকৃতি পেলে প্রতিষ্ঠানটির সুনাম ও কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম উপকৃত হবে।
জানা গেছে, বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছেন। এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, বিদ্যালয়ের দীর্ঘ ইতিহাস, শিক্ষাক্ষেত্রে অবদান এবং ভৌগোলিক গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে সরকার দ্রুত ধানগড়া উচ্চ বিদ্যালয়কে সরকারীকরণের উদ্যোগ গ্রহণ করবে।
অত্র অঞ্চলের শিক্ষার ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করা, পিছিয়ে পড়া মেধাবী শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নেওয়া এবং ৭৫ বছরের ঐতিহ্যের যথাযথ স্বীকৃতি নিশ্চিত করতে ধানগড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সরকারীকরণ এখন সময়ের দাবি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
মন্তব্য করুন