খবর ২৪ ঘন্টা , ডেস্ক
সরেজমিনে গিয়ে এবং বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ মে রাতে বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবনের ওপর একটি বড় গাছ ভেঙে পড়ে। এতে ভবনের সামনের অংশ ফেটে যায় এবং কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর ২০ মে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে গাছটি অপসারণের জন্য লিখিত আবেদন করেন। কিন্তু এক মাস অতিবাহিত হলেও গাছটি অপসারণ না হওয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থাতেই শ্রেণিকক্ষে পাঠদান চলছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শামিমা সুলতানা বলেন, “যথাযথ নিয়ম মেনে দ্রুত গাছটি অপসারণ করা হলে কোমলমতি শিশুদের নিরাপদ পরিবেশে পাঠদান নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। বর্তমান পরিস্থিতিতে আমরা উদ্বেগের মধ্যেই পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করছি।”
বিদ্যালয়ে সন্তানদের পাঠানো নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কয়েকজন অভিভাবক। তারা দ্রুত গাছ অপসারণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত ভবন সংস্কার অথবা বিকল্প নিরাপদ শ্রেণিকক্ষের ব্যবস্থা করার দাবি জানান। তাদের আশঙ্কা, যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বেলাল হোসেন বলেন, “ভেঙে পড়া গাছটি অপসারণের প্রক্রিয়া চলছে।”
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল খালেক পাটোয়ারী বলেন, “গাছটি অপসারণের জন্য বন বিভাগকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
স্থানীয়দের দাবি, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত গাছ অপসারণ এবং ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
মন্তব্য করুন