খবর ২৪ ঘন্টা , ডেস্ক
গ্রেপ্তার মোহাম্মদ নাঈম ইসলাম রায়গঞ্জ উপজেলার পূর্ব তেলিজানা গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে। আর মাদক মামলায় গ্রেপ্তার রমেশ চন্দ্র নদে মাহাতো ধামাইনগর ইউনিয়নের মহিষাচাপড়া গ্রামের মৃত প্রশান্তচন্দ্র মাহাতোর ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ জুলাই রাত সাড়ে ১২টার দিকে রায়গঞ্জ থানার পুলিশ অভিযান চালিয়ে পূর্ব তেলিজানা এলাকা থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হামলার মামলার প্রধান জড়িত আসামি মোহাম্মদ নাঈম ইসলামকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে গত ৬ জুলাই বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে রায়গঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মসজিদের সামনে ধূমপান করাকে কেন্দ্র করে কয়েকজনের সঙ্গে দায়িত্বরত আনসার সদস্য গিয়াস উদ্দিনের বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তাকে মারধর করা হয় বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনার প্রায় ১৫ মিনিট পর ১৫ থেকে ২০ জনের একটি দল লাঠিসোঁটা, কাঠের বাটাম ও ইটপাটকেল নিয়ে হাসপাতালের ভেতরে প্রবেশ করে হামলা চালায়। হামলাকারীদের ছোড়া ইটপাটকেলে জরুরি বিভাগের জানালার কাচ ভেঙে যায়। এ সময় হাসপাতালের ড্রাইভার মাহবুব হোসেন ও ইমার্জেন্সি সহকারী সবুজ হোসেন আহত হন।
ঘটনার পর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার শেখ রকিব উদ্দিন আহম্মেদ বাদী হয়ে রায়গঞ্জ থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। ঘটনার ১৭ দিন পর মামলার প্রধান জড়িত আসামি নাঈম ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হলো।
অন্যদিকে, গত ২৫ জুলাই রাত সাড়ে ৮টার দিকে রায়গঞ্জ থানার পুলিশ ধামাইনগর ইউনিয়নের মহিষাচাপড়া তিনমাথা এলাকায় অভিযান চালিয়ে রমেশ চন্দ্র নদে মাহাতোকে ৫০ গ্রাম শুকনা গাঁজাসহ গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে রায়গঞ্জ থানায় নিয়মিত মাদক মামলা দায়ের করা হয়েছে।
রায়গঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসানুজ্জামান জানান, হাসপাতাল হামলার ঘটনায় জড়িত প্রধান আসামি মোহাম্মদ নাঈম ইসলামকে গ্রেপ্তার করে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে। পৃথক অভিযানে ৫০ গ্রাম গাঁজাসহ রমেশ চন্দ্র নদে মাহাতোকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মন্তব্য করুন