খবর ২৪ ঘন্টা , ডেস্ক
নিহতরা হলো—কামাল হোসেনের (৪৫) দুই সন্তান সাবির (৫) ও জাবির (আড়াই বছর)। তাদের বাবা কামাল হোসেন চটকাপোতা গ্রামের মৃত নেদন আলীর ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুর আনুমানিক ২টা ২০ মিনিটের দিকে কামাল হোসেনের বাড়ির একটি ঘরে দুই শিশুকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান প্রতিবেশীরা। পরে কামাল হোসেনকেও একই ঘরে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় পাওয়া যায়। প্রতিবেশীরা তার গলার ফাঁস কেটে দিলে তিনি বাড়ির পাশের আমবাগানের দিকে যান। সেখানে তার মৃত্যু হয় বলে জানা গেছে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দুই শিশুকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঘরের ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে হত্যা করা হয়। এরপর কামাল হোসেন বিষাক্ত গ্যাস ট্যাবলেট সেবন করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন এবং পরে গলায় ফাঁস দেন।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা গেছে, কামাল হোসেনের একাধিক স্ত্রী ছিলেন। তাদের ঘরে মোট সাত সন্তান রয়েছে। প্রথম ও দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে তার আগেই বিচ্ছেদ হয়। তৃতীয় স্ত্রীও নির্যাতনের অভিযোগে প্রায় এক সপ্তাহ আগে দুই সন্তানকে রেখে নড়াইলে বাবার বাড়িতে চলে যান বলে স্থানীয়রা জানান।
তবে কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শামিনুল হক জানান, ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। পারিবারিক বিরোধ, নাকি অন্য কোনো কারণে এ ঘটনা ঘটেছে—তদন্ত শেষে তা নিশ্চিত হওয়া যাবে।
্
মন্তব্য করুন