খবর ২৪ ঘন্টা , ডেস্ক
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আমির হোসেন প্রায় ১৩ বছর ধরে ওই মসজিদে ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি মসজিদের দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষে বসবাস করতেন। মঙ্গলবার আসরের নামাজে ইমামতি করলেও পরে মাগরিব ও এশার নামাজের সময় তাকে দেখা যায়নি।
মসজিদ পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও মোতাওয়াল্লি মোহাম্মদ ইফতেকার আহমেদ জানান, দীর্ঘ সময় তার কোনো খোঁজ না পেয়ে স্থানীয়রা দ্বিতীয় তলায় তার কক্ষের সামনে যান। দরজা ভেতর থেকে বন্ধ থাকায় জানালা দিয়ে উঁকি দিয়ে দেখা যায়, সিলিং ফ্যানের সঙ্গে কাপড় পেঁচানো অবস্থায় তার মরদেহ ঝুলছে। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।
ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। মসজিদ কমিটির সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই চিরকুটে পারিবারিক কলহ ও ব্যক্তিগত হতাশার বিষয় উল্লেখ ছিল।
স্থানীয়রা জানান, আমির হোসেনের বাড়ি চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায়। দীর্ঘদিন ধরে তিনি এলাকায় ধর্মীয় দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন এবং মুসল্লিদের কাছে একজন নম্র ও সদালাপী ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
এদিকে মৃত্যুর আগে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি আবেগঘন স্ট্যাটাসও দিয়েছিলেন বলে জানা গেছে। সেখানে তিনি জীবনের দুঃখ-কষ্ট নিয়ে হতাশার কথা উল্লেখ করেন।
সীতাকুণ্ড মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিনুল রহমান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটির প্রকৃত কারণ উদঘাটনে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
মন্তব্য করুন