মোঃ পারভেজ আলী , স্টাফ রিপোর্টার
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, চলতি মাসে এখন পর্যন্ত ৫০ জনের শরীরে ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে মধ্যবয়সী রোগীর সংখ্যা তুলনামূলক বেশি। এর আগে গত মাসে এ উপজেলায় ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ছিল ২৫ জন। ফলে এক মাসের ব্যবধানে আক্রান্তের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছে।
এদিকে গত শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) পৌর এলাকার ক্ষিদ্রমাটিয়া গ্রামের নজরুল ইসলামের মেয়ে নূরী খাতুন নামে এক কিশোরী ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে বলে জানা গেছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) জিএম আল ইমরান বলেন, “আমাদের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দিন দিন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। গতকাল দিন-রাত মিলিয়ে নতুন করে ১২ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের জন্য আলাদা ওয়ার্ডের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাদের প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র যথাসাধ্য সরবরাহ করা হচ্ছে।”
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আসফিয়া সাবেরিন বলেন, “ডেঙ্গু প্রতিরোধে উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রচার-প্রচারণা চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি গ্রাম পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া কর্মীদের মাধ্যমেও জনগণকে সচেতন করা হচ্ছে। ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, “ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত নিকটস্থ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। জ্বরসহ ডেঙ্গুর কোনো উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসাসেবা নেওয়া জরুরি।”
স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, ডেঙ্গু প্রতিরোধে বাড়ির আশপাশে জমে থাকা পানি অপসারণ, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং দিনের বেলাতেও মশারি বা মশা প্রতিরোধী ব্যবস্থা ব্যবহারের বিষয়ে জনগণকে আরও সচেতন হতে হবে।
মন্তব্য করুন