খবর ২৪ ঘন্টা , ডেস্ক
হায়দার আলী আকন্দ পঞ্চক্রোশী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য। বর্তমানে জনপ্রতিনিধি না হয়েও নিজ অর্থায়নে বিভিন্ন এলাকার রাস্তা সংস্কার, দুস্থ ও অসহায় মানুষের সহযোগিতা এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কাজ করে আসছেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ছাত্রজীবন থেকেই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হায়দার আলী আকন্দ। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি দলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছেন। রাজনৈতিক কারণে বিগত সরকারের সময়ে অর্ধশতাধিক মামলার আসামি হয়েছেন এবং একাধিকবার কারাবরণ করেছেন বলে তার অনুসারীরা জানান। এসব প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছেন বলে স্থানীয়দের ভাষ্য।
পঞ্চক্রোশী ইউনিয়ন তারেক জিয়া পরিষদের সাবেক সদস্য সচিব মো. আবিদ হোসেন বলেন, ‘দীর্ঘ ১৭ বছর সরকারের সময়ে পঞ্চক্রোশী ইউনিয়নে বিএনপির নেতাকর্মীদের পাশে থেকে দলকে সংগঠিত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন হায়দার আলী আকন্দ। দলের বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে গিয়ে তিনি একাধিকবার হামলা-মামলার শিকার হয়েছেন এবং কারাবরণ করেছেন। ৫ আগস্টের পর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় রাস্তা সংস্কার, অসহায় পরিবারের মেয়েদের বিয়েতে সহযোগিতা এবং দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মাধ্যমে তিনি সাধারণ মানুষের আস্থার জায়গা তৈরি করেছেন।’
ইউনিয়নের বন্যাকান্দি গ্রামের আব্দুস সালাম শেখ, বেতবাড়ী গ্রামের এরশাদ আলী, রাঘববাড়ীয়ার আব্দুল মান্নান, সদাই গ্রামের গোলাম ছালেক ও দমমার গ্রামের আব্দুস সালাম মন্ডল বলেন, ছাত্রজীবন থেকেই হায়দার আলী রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তবে তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে সাধারণ মানুষের কোনো ক্ষতি হয়েছে—এমন অভিযোগ তারা শোনেননি। তাদের ভাষ্য, হায়দার আলী সহজ-সরল ও সৎ মনের মানুষ। জনপ্রতিনিধি না হয়েও বিভিন্ন এলাকার রাস্তা সংস্কার, দুস্থ-অসহায় মানুষের সহযোগিতা এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রাখায় চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে তিনি আলোচনায় রয়েছেন।
চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী বিএনপি নেতা মো. হায়দার আলী আকন্দ বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করে আসছি। সরকারের আমলে ১৭ বছর হামলা-মামলার শিকার হয়েছি এবং কারাবরণ করেছি। দলের সিদ্ধান্তকে সবসময় চূড়ান্ত হিসেবে মেনে চলেছি, ভবিষ্যতেও মেনে চলব। কারাগার থেকে বের হয়ে ২০১৬ সালের ইউপি নির্বাচনে ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলাম। ওই নির্বাচনে জনগণ আমাকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করেছিলেন। দায়িত্ব পালনকালে মানুষের জন্য কাজ করার চেষ্টা করেছি এবং কোনো ধরনের অনিয়ম বা আস্থাহীনতার কাজ করিনি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে পঞ্চক্রোশী ইউনিয়নের জনগণ যদি আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেন, তাহলে শিক্ষা, যোগাযোগব্যবস্থা, সামাজিক উন্নয়ন এবং অসহায় মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চাই। ইউনিয়নবাসীর সেবা করা এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখাই আমার মূল লক্ষ্য।’
মন্তব্য করুন