খবর ২৪ ঘন্টা , ডেস্ক
মামলা সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগীর কাছ থেকে রুহুল আমিন সাত হাজার টাকা ধার নিয়েছিলেন। টাকা ফেরত দেওয়ার কথা বলে গত ৩০ সেপ্টেম্বর বিকেলে ওই নারীকে একটি ফাঁকা বাড়িতে ডেকে নেন তিনি। সেখানে তাঁকে ধর্ষণ এবং মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণের অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়, পরে চেতনানাশক মিশ্রিত পানীয় খাইয়ে ওই নারীকে অচেতন করা হয়। এরপর শুকুর আলীসহ আরও দুজন তাঁকে ধর্ষণ করেন। জ্ঞান ফেরার পর বাধা দিলে ধারণ করা ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। পরে তাঁকে ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রায় তিন দিন ওই বাড়িতে আটকে রেখে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়।
শনিবার রাতে আবারও ধর্ষণের চেষ্টা করা হলে আশপাশের লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে রুহুল আমিন ও শুকুর আলীকে আটক করে পুলিশে দেন। এ সময় অন্য দুজন পালিয়ে যান।
ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে চারজনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।
হাকিমপুর থানার ওসি বাদশা আলম বলেন, মামলায় দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে চিকিৎসা পরীক্ষার জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
মন্তব্য করুন