খবর ২৪ ঘন্টা , ডেস্ক
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নদীর পানির স্বাভাবিক প্রবাহ কমে যাওয়ায় কয়েক দিন ধরে বিপুল পরিমাণ কচুড়িপানা এক জায়গায় জমে বড় আকার ধারণ করে। পরে স্থানীয় কিছু ব্যবসায়ী সেখানে চা, চানাচুর, ফুচকা ও বিভিন্ন খাবারের অস্থায়ী দোকান বসান। বিষয়টি এলাকায় ব্যাপক কৌতূহলের সৃষ্টি করেছে।
বিকেল হলেই সেখানে মানুষের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। শিশু-কিশোররা খেলাধুলা ও দৌড়াদৌড়িতে মেতে ওঠে। অনেকে পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসছেন। কেউ ছবি ও ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. মফিজুল ইসলাম দলু বলেন, “নদীর ওপর এমন কচুড়িপানার বিশাল স্তূপ আগে খুব একটা দেখা যায়নি। তাই আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকেও মানুষ এটি দেখতে আসছেন।”
ছাত্রনেতা মো. মেহেদী হাসান বলেন, “বিকেলের দিকে এখানে অনেক মানুষের সমাগম হয়। এটি যেমন মানুষের বিনোদনের জায়গা হয়ে উঠেছে, তেমনি নিরাপত্তার বিষয়টিও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।”
স্বেচ্ছাসেবী আল আমিন বলেন, “কচুড়িপানার স্তূপের ওপর অতিরিক্ত মানুষের চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। তাই সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।”
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল্লাহ আল মামুন ও সিয়াম জানান, নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ রক্ষায় দ্রুত কচুড়িপানা অপসারণ প্রয়োজন। একই সঙ্গে দুর্ঘটনা এড়াতে প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানান তারা।
এ বিষয়ে রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবদুল খালেক পাটোয়ারী বলেন, “বিষয়টি খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও জননিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
মন্তব্য করুন