মোঃ পারভেজ আলী , স্টাফ রিপোর্টার
আহতদের মধ্যে আঃ মমিন (৩৫) গুরুতর আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
আহত মমিনের ভাই মান্নান অভিযোগ করে বলেন, বাড়ির সীমানায় প্রাচীর নির্মাণের সময় প্রতিপক্ষ বাধা দিলে তাঁরা তা প্রতিহত করেন। পরে প্রতিপক্ষ থানায় অভিযোগ দিয়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাঁদের বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় বসতঘর ভাঙচুর ও স্বর্ণালংকার নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেন তিনি। বাধা দিতে গেলে মমিনের ওপর হামলা চালানো হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং পরে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে প্রতিপক্ষের শফিকুল ইসলাম শফি বলেন, মমিন ও তাঁর সহযোগীরা জোরপূর্বক তাঁর এক আত্মীয়ের জায়গা দখল করে সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের চেষ্টা করেন। ওই সময় বাড়িতে পুরুষ সদস্য না থাকায় নারীরা বাধা দিতে গেলে তাঁদের ওপর হামলা চালানো হয়। এতে কয়েকজন নারী আহত হন। তাঁদের উদ্ধার করে বেলকুচি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের পরিহিত স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন। ব্যবসায়িক কাজে ব্যস্ত থাকায় তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন না বলে জানান।
বেলকুচি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোক্তারুজ্জামান বলেন, দেলুয়া গ্রামের মারামারির ঘটনায় উভয় পক্ষের কাছ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন