খবর ২৪ ঘন্টা , ডেস্ক
কামাল হোসেন উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের আগরপুর দরগাপাড়া গ্রামের আব্দুস সালামের ছেলে। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে আগরপুর দরগাপাড়া এলাকায় তাকে মারধরের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, একই গ্রামের মৃত আছাব সরকারের ছেলে আলমসহ কয়েকজনের সঙ্গে কামাল হোসেনের দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক ও রাজনৈতিক বিরোধ চলে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় মো. আলম (৪৫), আব্দুল হাকিম মন্ডল (৪১), ইয়ারুল ইসলাম (৩৯), ইয়াছিন আলী (৮০) ও আব্দুর রহিম (৩২)সহ কয়েকজনের সঙ্গে কামালের কথা-কাটাকাটি হয়।
কামাল হোসেনের অভিযোগ, একপর্যায়ে অভিযুক্তরা তাকে ঘেরাও করে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মারেন। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত ও কালশিরা জখম হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, প্রথম ঘটনার প্রায় দেড় ঘণ্টা পর রাত সাড়ে ৮টার দিকে অভিযুক্তরা দলবদ্ধ হয়ে কামাল হোসেনের বসতবাড়িতে প্রবেশ করেন। তারা কামাল ও তার পরিবারের সদস্যদের গালিগালাজ করেন। একপর্যায়ে ঘরে প্রবেশ করে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছবি ভাঙচুর করে ক্ষতিসাধন করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এ বিষয়ে সলঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আসলাম আলী বলেন, “অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
কামাল হোসেনের দাবি, অভিযুক্তদের কর্মকাণ্ডে এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। ভবিষ্যতে আরও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে আশঙ্কা করে তিনি প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে পুলিশের কাছে আবেদন জানিয়েছেন।
অভিযোগে মোছা. হাসিনা খাতুন (৩৮), মোছা. শাপলা খাতুন (২৫), মো. আব্দুল খালেক (৫৫), মো. মোহাম্মদ আলী (২১), মো. মনছুর (২৩) ও মো. মেহেদী হাসান (২৭)সহ কয়েকজনকে সাক্ষী করা হয়েছে।
তবে অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
মন্তব্য করুন