খবর ২৪ ঘন্টা , ডেস্ক
শনিবার (৯ মে) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার চুনতির ফোর সিজন রেস্টুরেন্টের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার চরকানাই এলাকার রেহেনা বেগম, ভোলার মনির আহমদ, ঝিনাইদহের মোহাম্মদ মাসুদ ও নাঈম ইসলাম জিহাদ।
জানা গেছে, দুর্ঘটনার পর আহতদের উদ্ধার করে লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ট্রমা সেন্টারে নেওয়া হলে সেখানে চারজনের মৃত্যু হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মারছা পরিবহনের একটি বাস চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার যাচ্ছিল এবং অপর বাসটি কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামের দিকে আসছিল। লোহাগাড়ার চুনতি এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির দুটি বাসের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের পর একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের পূর্ব পাশে থাকা একটি গাছে ধাক্কা দেয়। অপর বাসটি মহাসড়কের পশ্চিম পাশে থাকা একটি দোকানে ঢুকে পড়ে। এতে দোকানের মালামালের ক্ষয়ক্ষতি হলেও দোকানের ভেতরে থাকা কেউ হতাহত হননি।
লোহাগাড়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার ফিরোজ খান বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান চালায়। ঘটনাস্থল থেকে একটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া গুরুতর আহত কয়েকজনকে হাসপাতালে পাঠানো হলে পরে আরও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়।
তিনি জানান, আহতদের মধ্যে অন্তত পাঁচজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। স্থানীয় লোকজনও আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।
লোহাগাড়ার চুনতি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আব্বাস আলী বলেন, দুর্ঘটনায় ৩০ জনের বেশি যাত্রী আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে কয়েকজন ঝিনাইদহ জেলার বাসিন্দা বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
দোহাজারী হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সালাহ উদ্দিন বলেন, আহতদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দুর্ঘটনায় কবলিত বাস দুটি ও নিহতদের মরদেহ পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
মন্তব্য করুন