খবর ২৪ ঘন্টা , ডেস্ক
বুধবার (১৩ মে) সকালে উপজেলার কায়েমপুর ইউনিয়নের বৃ-আঙ্গারু গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত তাসলিমা একই গ্রামের তাহের মণ্ডলের মেয়ে ও মমিনের ছেলে উজ্জ্বল হোসেনের স্ত্রী। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহতের বাবা তাহের মণ্ডল ও স্থানীয়রা জানান, প্রায় আট বছর আগে প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমে তাসলিমা ও উজ্জ্বল হোসেনের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে দুই সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর দাম্পত্য জীবন স্বাভাবিক থাকলেও সম্প্রতি তাসলিমা তার শাশুড়ি রহিমা খাতুনের পরকীয়ার বিষয়টি জানতে পারেন এবং তা পরিবারের অন্য সদস্যদের জানান। এরপর থেকেই স্বামী, শ্বশুর ও শাশুড়ি তার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু করেন বলে অভিযোগ পরিবারের।
স্বজনদের দাবি, মঙ্গলবার রাতে তাসলিমাকে শ্বাসরোধে হত্যার পর তার মরদেহ ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যার নাটক সাজানো হয়। তবে মরদেহে নির্যাতনের চিহ্ন দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ সৃষ্টি হলে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরে পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে ঘটনার সত্যতা প্রকাশ পেতে শুরু করলে স্বামী, শ্বশুর, শাশুড়িসহ অভিযুক্তরা বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান।
এ বিষয়ে শাহজাদপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। গলায় থাকা দাগ দেখে প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা নয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
মন্তব্য করুন