খবর ২৪ ঘন্টা , ডেস্ক
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলায় নানা কর্তৃক ১২ বছর বয়সী ৫ম শ্রেণির মাদরাসা ছাত্রীকে ধর্ষনের ঘটনা ঘটেছে। অভিযুক্ত নানাকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা।
মঙ্গলবার (২৬ মে) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার পৌরশহরের নওদাপাড়া এলাকায় এই জঘন্য ঘটনা ঘটে। উক্ত আসামির নাম শাহাবুল (৪৪)। তিনি কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর উপজেলার জয়পুর গ্রামের পরিস্কার আলীর পুত্র| তিনি সম্পর্কে ভুক্তভোগী শিশুর নানির দ্বিতীয় স্বামী (সৎ-নানা)। তিনি ভেড়ামারা নওদাপাড়া এলাকায় বাসা ভাড়া করে থাকেন।
প্রতিবেশী ও ভেড়ামারা থানার পুলিশ জানায়, ভুক্তভোগী শিশুটির বাড়ি শহরের বামনপাড়া এলাকায়। গতকাল সোমবার (২৫ মে) ভুক্তভোগী শিশুটি নওদাপাড়া এলাকায় তাঁর নানার বাসায় বেড়াতে আসে। আজ মঙ্গলবার সকালে নানী টিসিবির পন্য আনতে গেলে ঘরে কেউ না থাকার সুযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তি শিশুটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।
শিশুটির চিৎকার ও কান্নাকাটি শুনে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে ঘটনাটি জানাজানি হয়। এতে স্থানীয় জনতা চরম উত্তেজিত হয়ে অভিযুক্তকে ধরে গণপিটুনি দেয়।
খবর পেয়ে ভেড়ামারা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উত্তেজিত জনতার হাত থেকে অভিযুক্তকে উদ্ধার করে পুলিশের হেফাজতে নেয়। পরে তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে থানা হাজতে প্রেরণ করা হয়।
এ বিষয়ে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভেড়ামারা সার্কেল) দেলোয়ার হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, "আটককৃত ব্যক্তি প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অপরাধের কথা স্বীকার করেছে। তাঁকে চিকিৎসা শেষে থানা হাজতে রাখা হয়েছে এই ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে এবং ভুক্তভোগী শিশুটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে।
ঘটনার সংবাদ শুনে বৃহত্তম কুষ্টিয়া জেলার সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ফরিদা ইয়াসমিন ঘটনাস্থলে যান এবং প্রশাসনকে সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত বিচারের জন্য নির্দেশ দেন। তিনি ভুক্তভোগী পরিবারকে দ্রুত বিচারের আশ্বাস দেন এবং তাদেও পাশে থাকবেন বলে জানান।
মন্তব্য করুন